খুঁজুন
শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ই-পেপার |
ads

ডিবি হারুনের অপকর্মের হোতারা প্রকাশ্যে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫, ৬:৩০ পিএম
ডিবি হারুনের অপকর্মের হোতারা প্রকাশ্যে।

ডিবি হারুনের অপকর্মের হোতারা প্রকাশ্যে।

ক্রাইম রিপোর্টার।

বহুল আলোচিত ডিবি পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ। আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর থেকে এই প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তার কোন হদিস নেই। তেমনি তার সহযোগী হিসেবে জায়গা দখল, চাঁদাবাজি সহ নানান অপকর্মের হোতা ভূমিদস্যু মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া বাহিনীরও কোন হদিস নেইা। এরা আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় পলাতক ডিবি পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সহযোগী হিসেবে মানুষকে জিম্মি করে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। তেমনি গাজীপুরের কালীগঞ্জেও তাদের দাপটে আতঙ্কে ছিল সাধারণ মানুষ। এরা সবাই গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানা এলাকার বাসিন্দা।

জানা গেছে, এক সময়ে গাজীপুরে এসপি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ। টানা চার বছর থাকাকালীন সময়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেন মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া। সেই সুবাধে পুরো গাজীপুরে জায়গা দখল, চাঁদাবাজি সহ নানান অপরাদ কর্মকান্ড চালিয়ে তারা। তাদের হাত থেকে অনেক মানুষ নিপিড়ীত হয়েছে এবং মানুষকে জিম্মি করে তাদের স্বার্থ হাসিল করতেন। গাজীপুর সহ বিভিন্ন থানায় তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকলেও তৎকালীন ডিবি হারুনের সহযোগী হিসেবে কাজ করায় তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতেন না। টাকার জন্য এই বাহিনী দিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা এমন কিছু নেই যা তা করেনি। সত্যকে মিথ্যা, মিথ্যাকে সত্য বানিয়ে বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও বোকা বানিয়েছেন এবং অনেকের চাকুরিও খেয়েছেন তিনি।

এছাড়াও বিএনপি এবং ব্যবসায়ীদের লিষ্ট করে ডিবি পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে তারা আবার মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে নিতেন।
এছাড়াও ৩শ ফিট এলাকায় জায়গা, জমি সহ প্লট বিক্রি করতে গেলেও এই বাহিনীকে চাঁদা দিয়ে কাজ করতে হতো। এসব কিছু সবই সম্ভব হয়েছে পুলিশ কর্মকর্তা ডিবি হারুনের জন্য। শুধু গাজীপুরে নয় তাদের দিয়ে ঢাকা সহ আশেপাশের এলাকাও অপর্কম করিয়েছেন।

২০২২ সালে বহুল আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের সহযোগী মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া বাহিনী গাজীপুরের কালিগঞ্জ থানাধীন পূর্বাচল ১৬নং সেক্টরে প্লট বাউন্ডারী নির্মাণের কাজে বাধা দিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদাদাবি করেন। দাবিকৃত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় প্লটের বাউন্ডারী ভেঙে গুড়িয়ে দেন পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সহযোগীরা। এই ঘটনায় দবির উদ্দিন এর মেয়ে শাহ ফারহান নিশাত বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানা একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন।

অভিযুক্ত সিরাজুর ইসলাম গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার কালিকুটি এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদ এর ছেলে, একই থানা এলাকার ছানারুল ইসলাম এর ছেলে রাসেল ও বাসাবাসি এলাকার ছবদর আলী নুন্দু ছেলে শাহ জাহান। থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর থেকে পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সহযোগীরা তাঁর ভয় দেখিয়ে নানা ভাবে হুমকি ধমকি দিতে থাকেন অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী চাঁদাবাজির অভিযোগে ২০২২ সালের ৭ মার্চ কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৩। এদিকে ডিবি পুলিশ কর্মকর্তা হারুন বাহিনীর সহযোগীদের নামে মামলা দায়ের করেও বিপাকে পড়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে প্রথম থেকেই পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের সহযোগী হিসেবেও গাজীপুর, ঢাকায় তাঁর এই বাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। ৫ আগস্টের পূবেও ডিবি হারুনের সহযোগীতায় বিভিন্ন মানুষের নামেও একের পর মামলা করেছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার সরকার পতনের পর প্রভাবশালী এই পুলিশ কর্মতর্কা সহ তাঁর বাহিনী সহযোগী মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া বাহিনী কিছু দিন পলাতক থাকলেও পরবর্তীতে প্রকাশ্যে এসে বিএনপিতে পূর্নবাসনে চেষ্টা করে যাচ্ছে তারা। বিশেষ করে এই বাহিনী যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তাদের হয়েও কাজ করবে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

অপর দিকে পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের সহযোগী মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ শাহ জাহান ও রাসেল মিয়া সহ তাঁর বাহিনীকে গ্রেফতার করলে বেড়িয়ে আসবে এই পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের গোপন নথিপত্র সহ তাদের অপকর্মের নানান কর্মকান্ড।

সখিপুর ২ নং বহেরাৈতৈল ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার  ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫, ৯:৫৬ এএম
সখিপুর ২ নং বহেরাৈতৈল ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার  ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

সখিপুর ২ নং বহেরাৈতৈল ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার  ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

মোঃ আঃ লতিফ মিয়া
টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি;

টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার বহেরাতৈল ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

শনিবার (২২ মার্চ) সখিপুর উপজেলার বহেরাতৈল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে এ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সখিপুর উপজেলার বহেরাতৈল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ সুরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সখিপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদ মাস্টার,মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক বাবুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুর রেজা, যুবদলের আহবায়ক ও বিআরডিবির চেয়ারম্যান ফরহাদ ইকবাল ।

এ সময় কৃষক দলের সভাপতি মোঃ বিল্লাল হোসেন,স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি তানভীর শহীদ,নূরে আজম, জুয়েল রানা,ছাত্রদল সভাপতি মোঃ একাব্বর হোসেনসহ সখিপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, কৃষক দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টাকে বরেন্য ড. মোঃ ইউনুসকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমরা আপনাকে ফখরুদ্দিন মঈন উদ্দিন সরকারের এর মত নিরবে বিদায় জানাতে চাই না,আমরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে আপনাকে বিদায় জানাতে চাই। এখন নির্বাচন নিয়ে সরকারের ভিতরে এবং বাহিরে নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে। তাই সকল ষড়যন্ত্রকে রুখে দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হগস্তান্তর করুন।

পরে ইফতার মাহফিলে দেশবাসীর মঙ্গল কামনায় দোয়া করা হয় ।

চাঁদপুর শাহরাস্তিতে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫, ৯:৫৪ এএম
চাঁদপুর শাহরাস্তিতে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু।

চাঁদপুর শাহরাস্তিতে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু।

মোঃ জসিম উদ্দিন ঃ

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের নীচে কাটা পড়ে মো. বাবুল হোসেন (৩২) নামে যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২২ মার্চ) বিকাল ৩টার দিকে চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের শাহরাস্তি দোয়াভাঙ্গা রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবক বাবুল পাশবর্তী উপলতা গ্রামের ব্যাপারী বাড়ীর নুরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগ্রামী সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঘটনাস্থল অতিক্রম করার সময় ওই যুবক ট্রেনের নীচে কাটাপড়ে। তবে ওই যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন বলেও জানান স্থানীয়রা।

চাঁদপুর রেলওয়ে (জিআরপি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিব চন্দ্র কর বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে রওয়ানা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হবে। এই ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হবে। ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

‎মরহুম হাজী ফকির মোহাম্মদ স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন। ‎

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫, ৯:৫১ এএম
‎মরহুম হাজী ফকির মোহাম্মদ স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন। ‎

‎মরহুম হাজী ফকির মোহাম্মদ স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন।

‎নিজস্ব প্রতিবেদন।

‎উখিয়ার পালংখালী বটতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন মরহুম ফকির মোহাম্মদ স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ আব্দুল্লাহ ও সভাপতি ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে এম.মোক্তার আহমদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক – জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, কক্সবাজার জেলা।

‎আজকে থেকে আমরা যা রোজা রাখবো,তা হল নাজাতের রোজা, আপনাদের জানতে হবে, আল্লাহ পাক রোজা কেন ফরজ করেছেন, ইসলাম ধর্মের যে পাঁচটি স্তম্ভ রয়েছে, সেই পাঁচটির উপর ঈমান আনতে হবে। তার মধ্যে রোজা হলো অন্যতম।
‎অদ্য ২১ই মার্চ শুক্রবার সন্ধ্যায় মরহুম ফকির মোহাম্মদ স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে , সরোয়ার জাহান চৌধুরী এসব কথা বলেন।

‎প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরওয়ার জাহান চৌধুরী, আহ্বায়ক জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, উখিয়া উপজেলা শাখা।
‎উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট রেজাউল করিম রেজা,এডিশনাল পিপি, জেলা ও দায়রা জজ কক্সবাজার ।
‎এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রঙ্গিখালী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ আলম,ফারিরবিল আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নুরুল বশর।

‎আরো উপস্থিত ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি উখিয়া উপজেলা, হামিদ হোসেন সাগর, সহ-সভাপতি জাতীয়তাবাদী যুবদল, কক্সবাজার জেলা। মাওঃ আক্তার হোসেন,
‎হেলাল উদ্দিন মেম্বার- সভাপতি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, পালংখালী ইউনিয়ন শাখা।সাহাব উদ্দিন চৌধুরী -সাধারণ সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, পালংখালী ইউনিয়ন শাখা। আবুল আলা রোমান – আমির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, পালংখালী ইউনিয়ন শাখা। হেলাল উদ্দিন হীরা, রুস্তম আলী সৈকত এবি পার্টির আবুল কালাম আজাদ, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ইবনে জুবাইর, সাইফুল ইসলাম,সহ প্রমুখ।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, একটি ঘরে যেমন পাঁচটি প্লেয়ার রয়েছে, সেখান থেকেই একটি যদি সমস্যা হয়, তাহলে পুরা ঘরটাই নষ্ট হয়ে যায় ঠিক তেমনি ইসলাম ধর্মের যে পাঁচটি স্তম্ভ রয়েছে,তা যদি আমরা সঠিক ভাবে পালন না করি, তাহলে আমাদের মুসলমানিত্ব থাকবেনা।

‎এসময় সভাপতির বক্তব্যে এম মোক্তার আহমদ বলেন, আসলেই আমি কক্সবাজার থাকি তা আপনারা জানেন, সেখানে একটি সংগঠন আছে যার নাম স্বাস্থ্য কল্যাণ বিয়াম পরিষদ। এই সংগঠনের কাজ ফেইসবুকে আপনারা যারা আমার সাথে জড়িত,তারা সবাই দেখতে পান। সেখানে খুরুশকুল রোডে আমাদের একটা মাঠ আছে, সেখানে আমরা প্রতিদিন সকালে বিয়াম করি।আর এই রমজান মাসে আমরা পুরা এক মাস সাধারণ মানুষের ইফতারের আয়োজন করি। সেখানে রিক্সা ওয়ালা, পথচারী থেকে শুরু করে সাধারণ ১০০ মানুষের জন্য আমাদের আয়োজন থাকে প্রতিদিন।
‎পরে তিনি উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই এবং দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আক্তার হোসেন, আরবি প্রভাষক – ফারিরবিল আলিম মাদ্রাসা।