হলদিয়ায় বিধবা মহিলার স্বামীর জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ, থানায় অভিযোগ করেও আইনের প্রতি অবজ্ঞা।
হলদিয়ায় বিধবা মহিলার স্বামীর জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ, থানায় অভিযোগ করেও আইনের প্রতি অবজ্ঞা।

কক্সবাজার প্রতিনিধি।
উখিয়া হলদিয়ায় পাতাবাড়ী মরুহুম উলা মিয়ার মালিকাদিন শতবছর বসবাস করে আচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
বিগত আওমীলীগে দাপট দেখিয়ে অন্যায় ভাবে কিছুজমি দখল করেছিলো দখল বাজ সুজিনা ও আলাম
পুনরায় আরো বৃহত্তম জমি দখল করে বহুতল বাড়ি নির্মাণ করে যাচ্ছে নাজুর ছেলে মাহম্মদ আমল ও তার স্ত্রী সুজিনা
স্থানীয় থানায় একাধিক অভিযোগের পরও একটি বিধবা মহিলার জমি দখল করে অবৈধভাবে বাড়ি নির্মাণের ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় ইয়াবা ব্যবসায়ী আলমের স্ত্রী সুজিনা ও তার পিতা মোহাম্মদ আলীসহ একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বাধা সত্ত্বেও ওই জমিতে বাড়ি নির্মাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। থানা পুলিশের কাছে বিচার চাওয়া হলেও, অভিযুক্তরা জানান, নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পুলিশের কর্মকর্তা এসআই ইলিয়াস তাদের জমিতে বাড়ি নির্মাণের জন্য অনুমতি দিয়েছেন এমন কথা বলেছে অবৈধ দখলদারিরা, অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এমন কোন অনুমতি দেননি বলে জানিয়েছেন পলিশ কর্মকর্তা ইলিয়াস ।
সরজমিনে সাংবাদিকের,প্রশ্নের জবাবে থানায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেন জমি দখল করে চলাচল রাস্তা বন্ধ করে ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে জবাবে থানায় অনুমতি দিয়েছে বলে জানান অবৈধ দখলকারী সুজিনা ও তার পিতা মাহমুদ। এবিষয়ে থানার কর্মকর্তা এসআই ইলিয়াসের সাথে কথা হলে অনুমতির বিষয়টি অশিকার করেন এবং তিনি উক্ত বিষয় কঠোর পদক্ষেপ নিবে বলে আশ্বাস দেন।
এলাবাসীর পক্ষে মোস্তাক আহমেদ বলেন আমার চাচার ভিটা-জমি সুজিনা ও তার স্বামী আলম অবৈধভাবে দখল করে বসবাস করেন। অত্র এলাকার বাসিন্দারা বলেন জমির ওয়ারিশগন জমির অধিকার হবে,কিন্তু আলম ও সুজিনা জমি দখল করে বাড়ি করা কোন কাম্য নই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিটি বিধবা মহিলার স্বামী মরুহুম উলামিয়ার পৈতৃক মালিকানাধীন জমি ছিল এবং তার বৈধ উত্তরাধিকারীদের অধিকার রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি আলম, সুজিনা ও মোহাম্মদ আলীসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জমিটি জোরপূর্বক দখল করে, যার ফলে জমির মালিক ও তার উত্তরাধিকারীরা বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর হামলা চালায়।
এ বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ থানায় অভিযোগ অবগত করা হলেও, পুলিশ কর্মকর্তা এসআই ইলিয়া বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে একটি পক্ষের সাথে সমঝোতা করে বলে অভিযোগ উঠেছে। উক্ত পুলিশ বলেছে, তারা গৃহ নির্মাণের জন্য “অনুমতি” দিয়েছে বলে ছড়াচ্ছে তবে এটি একটি বিভ্রান্তিকর বক্তব্য।
জমির ওয়ারিশগনের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, পুলিশ কর্মকর্তা এসআই ইলিয়াস তাদের আইনগত সাহায্য প্রদান না করে অন্যভাবে পরিস্থিতি জটিল করে তুলছে।
জমির মালিকদের পক্ষ থেকে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হলেও, এখনও কোনো কার্যকরী সমাধান আসেনি। তারা আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং সরকারের কাছ থেকে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন।
এই ঘটনায় এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ এবং উৎকণ্ঠা বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা আশা করছেন, স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ যথাযথ পদক্ষেপ নেবে, যাতে বিধবা মহিলা ও ওয়ারিশগন জমির অধিকার সুরক্ষিত থাকে এবং কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তাদের ক্ষমতা ও প্রভাব প্রয়োগ করে আইনের প্রতি অবজ্ঞা করতে না পারে।
এদিকে, এই ঘটনায় যথাযথ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন
Array